রাজশাহীর পুঠিয়ায় বাড়ির পাশের পুকুরে ফেলে দেওয়া পাঁচটি ডিমের একটি থেকে জন্ম নেওয়া পোষা মোরগ ‘চুচু’র প্রথম জন্মদিন কেক কেটে উদ্যাপন করেছে একটি পরিবার।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার বিড়ালদহ গ্রামের আবদুল হাদীর বাড়িতে পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের উপস্থিতিতে ব্যতিক্রমী এ আয়োজন করা হয়।
জন্মদিনে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কেক খায় চুচুও। নাম ধরে ডাকলেই ছুটে আসে সে। পরিবারের সদস্য সুজানা শবনমের কোলে উঠে আদরও নেয়।
পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে চুচুর সখ্যের শুরু জন্মের পর থেকেই। বাড়ির পাশের পুকুরে ভাসতে থাকা পাঁচটি ডিম শিশু নিশাত শবনম খেলার ছলে কাঠি দিয়ে তুলে বাড়িতে নিয়ে আসে। পরে ডিম ভাঙার সময় একটির ভেতর জীবিত একটি ছানা পাওয়া যায়। তখনও ছানাটির চোখ ফোটেনি।
পরিবারের সদস্যরা ছানাটির যত্ন নিতে শুরু করেন। কিছুদিন পর সেটি ‘চু চু’ শব্দ করতে থাকায় তার নাম রাখা হয় ‘চুচু’। পরে দেখা যায়, সেটি একটি মোরগ।
সুজানা শবনম বলেন, চোখ ফোটা পর্যন্ত তুলার মধ্যে রেখে চুচুর যত্ন নেওয়া হয়। পরে পানি মিশিয়ে ফিড খাওয়ানো শুরু করেন তারা। নিজের হাতে খাওয়ানোর কারণে ধীরে ধীরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তার সখ্য গড়ে ওঠে। শুরুতে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঘুমালেও পরে চুচুর জন্য কাঠ দিয়ে ছোট একটি ঘর বানিয়ে দেওয়া হয়।
চুচুর পছন্দের খাবারের তালিকায় রয়েছে নুডলস, চাল ও কেক। সাদা ভাত না খেলেও পোলাও বেশ আগ্রহ নিয়ে খায় সে।
জন্মদিনের অনুষ্ঠানে কেক কাটার সময় সুজানার কোলে বসানো হয় চুচুকে। কেক মুখের কাছে ধরতেই আগ্রহ নিয়ে খেতে শুরু করে সে। এ সময় পরিবারের স্বজনরাও উপস্থিত ছিলেন।
সুজানার চাচি নূরজাহান বেগম জানান, তার মুরগি মোট ১২টি ডিম দিয়েছিল। এর মধ্যে সাতটি ডিম থেকে সময়মতো ছানা বের হয়। বাকি পাঁচটি ডিম থেকে ছানা না হওয়ায় আরও দুই দিন মুরগিটিকে ডিমে বসিয়ে রাখা হয়। এরপর ডিমগুলো পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছিল।
এ বিষয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিভাগের অধ্যাপক জালাল উদ্দিন সরদার বলেন, একটি মুরগির জন্য ১২টি ডিম বেশি। মুরগি ছোট হলে কয়েকটি ডিম পর্যাপ্ত তাপ না পাওয়ায় ২১ দিনের মধ্যে ছানা নাও ফুটতে পারে। তবে ডিম ভালো থাকলে পরবর্তী সময়ে ছানা বের হয়ে বেঁচে থাকতে পারে।
সুজানা শবনম বলেন, চুচু যত দিন বাঁচবে, তত দিন তাদের বাড়িতেই থাকবে। পরিবারের এত আদরের এই মোরগকে তারা জবাই বা বিক্রি করবেন না। এখন চুচু তাদের পরিবারেরই একজন সদস্য।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার বিড়ালদহ গ্রামের আবদুল হাদীর বাড়িতে পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের উপস্থিতিতে ব্যতিক্রমী এ আয়োজন করা হয়।
জন্মদিনে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কেক খায় চুচুও। নাম ধরে ডাকলেই ছুটে আসে সে। পরিবারের সদস্য সুজানা শবনমের কোলে উঠে আদরও নেয়।
পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে চুচুর সখ্যের শুরু জন্মের পর থেকেই। বাড়ির পাশের পুকুরে ভাসতে থাকা পাঁচটি ডিম শিশু নিশাত শবনম খেলার ছলে কাঠি দিয়ে তুলে বাড়িতে নিয়ে আসে। পরে ডিম ভাঙার সময় একটির ভেতর জীবিত একটি ছানা পাওয়া যায়। তখনও ছানাটির চোখ ফোটেনি।
পরিবারের সদস্যরা ছানাটির যত্ন নিতে শুরু করেন। কিছুদিন পর সেটি ‘চু চু’ শব্দ করতে থাকায় তার নাম রাখা হয় ‘চুচু’। পরে দেখা যায়, সেটি একটি মোরগ।
সুজানা শবনম বলেন, চোখ ফোটা পর্যন্ত তুলার মধ্যে রেখে চুচুর যত্ন নেওয়া হয়। পরে পানি মিশিয়ে ফিড খাওয়ানো শুরু করেন তারা। নিজের হাতে খাওয়ানোর কারণে ধীরে ধীরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তার সখ্য গড়ে ওঠে। শুরুতে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঘুমালেও পরে চুচুর জন্য কাঠ দিয়ে ছোট একটি ঘর বানিয়ে দেওয়া হয়।
চুচুর পছন্দের খাবারের তালিকায় রয়েছে নুডলস, চাল ও কেক। সাদা ভাত না খেলেও পোলাও বেশ আগ্রহ নিয়ে খায় সে।
জন্মদিনের অনুষ্ঠানে কেক কাটার সময় সুজানার কোলে বসানো হয় চুচুকে। কেক মুখের কাছে ধরতেই আগ্রহ নিয়ে খেতে শুরু করে সে। এ সময় পরিবারের স্বজনরাও উপস্থিত ছিলেন।
সুজানার চাচি নূরজাহান বেগম জানান, তার মুরগি মোট ১২টি ডিম দিয়েছিল। এর মধ্যে সাতটি ডিম থেকে সময়মতো ছানা বের হয়। বাকি পাঁচটি ডিম থেকে ছানা না হওয়ায় আরও দুই দিন মুরগিটিকে ডিমে বসিয়ে রাখা হয়। এরপর ডিমগুলো পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছিল।
এ বিষয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিভাগের অধ্যাপক জালাল উদ্দিন সরদার বলেন, একটি মুরগির জন্য ১২টি ডিম বেশি। মুরগি ছোট হলে কয়েকটি ডিম পর্যাপ্ত তাপ না পাওয়ায় ২১ দিনের মধ্যে ছানা নাও ফুটতে পারে। তবে ডিম ভালো থাকলে পরবর্তী সময়ে ছানা বের হয়ে বেঁচে থাকতে পারে।
সুজানা শবনম বলেন, চুচু যত দিন বাঁচবে, তত দিন তাদের বাড়িতেই থাকবে। পরিবারের এত আদরের এই মোরগকে তারা জবাই বা বিক্রি করবেন না। এখন চুচু তাদের পরিবারেরই একজন সদস্য।
অনলাইন ডেস্ক